মঙ্গলবার । ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ । ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩

সংরক্ষিত নারী আসনেরও ভাগ পায়নি খুলনা, হতাশ বিএনপি নেতাকর্মীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনে মাত্র ১১টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে ৪টি আসনই খুলনা জেলার। সবচেয়ে বেশি আসনে জয় উপহার দেওয়ার দাবি থেকে খুলনা অঞ্চলের ১২ জন নেত্রী বিএনপির সংরক্ষিত আসনের মনোনয়নপত্র কিনেছিল। কিন্তু তাদের কাউকেই মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। বিষয়টি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

অথচ পাশের যশোর জেলার ৬টি আসনের ৫টিতে পরাজিত হয় বিএনপি। যশোর-২ আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী সাবিরা সুলতানা মুন্নীকে সংরিক্ষত আসনে মনোনয়ন দিয়েছে দলটি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগে সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার সবগুলো আসনে জয় পায় জামায়াত। বড় জেলা যশোরের ৬টি আসনের ৫টিতেই পরাজিত হয়েছে বিএনপি। বাগেরহাটের ৪টির মধ্যে তিনটিতেই জয় পায় জামায়াত। ব্যতিক্রম শুধু খুলনা। এখানকার ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি প্রাথীরা। সরকার গঠনের সময় খুলনা থেকে একজনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়ার দাবি ওঠে। কিন্তু কাউকেই নেওয়া হয়নি। সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য পদেও কেউ না থাকায় সামাজক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেকে।

খুলনার দৌলতপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে লিখেন, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে খুলনা ছিল অগ্রগামী। ৬টার মধ্যে ৪ টা আসনে জয়ী, অথচ সরকারের অংশীদারিত্বে অবহেলিত।’ তার মন্তব্যের ঘরে প্রায় সবাই বিএনপির সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে মতামত প্রদান করেছেন।

মনোনয়নপ্রত্যাশী ও মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দা রেহেনা ঈসা বলেন, ‘খুলনা-বাগেরহাট থেকে একজন সংসদ সদস্য নিলে মানুষের ভোটের প্রতি সম্মান দেখানো হতো। সেই আশা থেকেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করি। এখানে খুলনার বিএনপি নেতাদের চেষ্টা কিছুটা কম ছিল। যাই হোক, দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়েছি।’

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘জয়ী আসনের ভিত্তিতে সংসদে সংরক্ষিত আসন বন্টন হয়। খুলনা থেকে ৪ জন নির্বাচিত হওয়ায় প্রত্যাশা একটু বেশি ছিল। নেতাকর্মীরা হতাশ হয়েছে। তবে তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের প্রতি আমরা আস্থাশীল।’

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন